Skip to content

ঈদুল আযহা নিয়ে কিছু কথা

ঈদুল আযহা নিয়ে কিছু কথা

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি ভালো আছেন আজকের আলোচনায় আমরা ঈদুল আযহা কে কেন্দ্র করে কিছু তথ্য আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করার লক্ষ্য নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। মুসলিম দের খুবই আনন্দের ও খুশির দিন হচ্ছে ঈদ বছরে দুইটি ঈদ হয়ে থাকে এর মধ্যে একটি হচ্ছে ঈদুল আযহা এবং আরেকটি ঈদুল ফিতর তবে আজকে আমরা ঈদুল আযহা কে নিয়ে কিছু তথ্য আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করব যে তথ্যগুলো সম্পর্কে জানার প্রয়োজন মনে করছি আমরা। সম্মানিত মুসল্লি মিল্লাত এক্ষেত্রে আমরা আপনাদের সকলের মনোযোগ কামনা করছি আপনাদের মাঝে কিছু কথা বলার আগ্রহ নিয়ে উপস্থিত হয়েছি সত্যিকার অর্থে কিছু তথ্য আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করা হবে যেগুলো কিনা ঈদুল আযহা কে কেন্দ্র করে।

প্রতিদিন অনেক ব্যক্তি রয়েছে যারা ঈদুল আযহা সম্পর্কে জানার জন্য অনুস্মান করছে বর্তমান সময়ে। এক্ষেত্রে আমরা এই ঈদকে কেন্দ্র করে কিছু হাদিস মোতাবেক তথ্য প্রদান করেছি পাশাপাশি অনেকেই ঈদুল আযহার খুতবা সম্পর্কে জানার জন্য অনলাইনে অনুসরণ করেন এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ খুতবা প্রদান করেছি যেগুলো আপনারা ব্যবহার করতে পারবেন খুতবা হিসেবে ।

প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ দাড়ি ধারাবাহিকতায় আজকে আমরা ঈদুল আযহা কে কেন্দ্র করে নিয়ে এসেছি গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা যে বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা অনেকেই এখনো জানিনা কিন্তু এই বিষয়গুলো জানার প্রয়োজন রয়েছে আপনাদের জানানোর উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা আজকের আলোচনায় উপস্থিত হয়েছি এবং কথা বলছি ঈদুল আযহা কেন্দ্রিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিয়ে।

ঈদুল আযহা নিয়ে কিছু কথা

ঈদুল আযহা কে কেন্দ্র করে আপনারা যারা গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তারা অবশ্যই সঠিক ওয়েবসাইটে এসেছেন আপনাদের সহযোগিতার আশায় আমরা আমাদের আলোচনার মাধ্যমে তেমন কিছু তথ্য প্রদান করব যেগুলো সম্পর্কে জেনে আপনি উপকৃত হবেন। নিজে এই বিষয়ে তথ্য প্রদান করা থাকছে।

কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্তসমূহ
১. মুসলমান হওয়া,সুতরাং অমুসলিম ব্যক্তির উপর কুরবানী ওয়াজিব নয়।
২. মুকীম/স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া/যেকোন জায়গায় ১৫ দিনের বেশির নিয়তের অবস্থান করা, সুতরাং মুসাফিরের/১৫ দিনের কম নিয়তে সফরকারী ব্যক্তির উপর কুরবানী ওয়াজিব নয়।
৩. ধনী বা নিসাব পরিমাণ(সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সে পরিমান অর্থসম্পদের মালিক হওয়া) অর্থাৎ যে পরিমান সম্পদ থাকলে সাদক্বাহ-ই ফিতর ওয়াজিব হয় সে পরিমান সম্পদ থাকলে তার উপর কুরবানীও ওয়াজিব।
৪. স্বাধীন হওয়া ,সুতরাং ক্রীত দাস-দাসীর উপর কুরবানী ওয়াজিব নয়।
[দলীলঃ-“বাহারে শরীয়াত”]
৫. মুসাফিরের উপর কুরবানী ওয়াজিব নয়, তবে নফল হিসেবে করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে। হজ্ব পালনকারী যদি মুসাফির হয় তবে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব নয়।কিন্তু মুকীম হলে ওয়াজিব।যেমন-মক্কায় অবস্থানকারী হয়ে মুকীম হলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে।
[দলীলঃ- “দুররে মুখতার”, “রদ্দুল মুহতার” ও “বাহারে শরীয়ত”]
৬. গরু,মহিষ ও উট এই তিন প্রকার পশুর একটিতে সাত ব্যক্তি পর্যন্ত শরিক হয়ে কুরবানী করা যাবে।তবে কুরবানীর জন্য পূর্বশর্ত হল,কারো অংশ যেন এক সপ্তাংশ থেকে কম বেশী না হয়।যদি কোন শরিকের অংশ এক সপ্তাংশ হতে কম হয়।তখন কারো কুরবানী হবে না।একটি গরুতে চার,পাঁচ,ছয় জন শরিক হতে পারে।এ ক্ষেত্রে সকলের অংশ সমান হওয়াটা পূর্বশর্ত।
[দলীলঃ- “দুররে মুখতার”,“রদ্দুল মুহতার”ও“বাহারে শরীয়ত”]
৭. গরু কুরবানীতে কাউকে শরিক করলে গোশত ওজন করে বন্টন করাই বাঞ্ছনীয়,অনুমান করে নয়। হতে পারে কেউ বেশি বা কম পাবে তবে তা নাজায়েয।
[দলীলঃ-“বাহারে শরীয়াত”]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: