Skip to content

কোরবানির ঈদের খুতবা ও হাদিস। ঈদুল আযহার খুতবা

ঈদুল আযহার খুতবা

আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সেই মহান রব্বুল আলামীনের নামে আজকের আলোচনা শুরু করছি প্রথমে আপনাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি এবং ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি। ইসলাম সম্পর্কিত আরো একটি আলোচনায় আপনাদের মূল্যবান একটি বিষয়ের উপর তথ্য প্রদান করা হবে আমরা সকলেই জানি আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে ঈদুল আযহা হঠাৎ কোরবানির ঈদ অনেকেই এটিকে ঈদুল আজহার পরিবর্তে কোরবানির ঈদ বলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন যাই হোক না কেন বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় আপনাদের মাঝে কোরবানির ঈদের খুতবা ও হাদিস প্রদান করা হবে আমরা চেষ্টা করব মূল্যবান কিছু হাদিস আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করার।

অনেক দিনই ভাই রয়েছেন যারা ইসলামের পথে ইসলামের রাস্তায় সময় ব্যয় করেন এক্ষেত্রে কোরবানি সম্পর্কিত কিছু মূল্যবান তথ্য অন্যের মাঝে উপস্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে অনলাইন থেকে এই সম্পর্কে কিছু হাদিস জানার আগ্রহ নিয়ে অনুসন্ধান করেন এমন ব্যক্তিদের সহযোগিতার জন্য আমরা নির্বাচিত সেরা কিছু হাদিস এর ব্যাখ্যা উল্লেখ করব সেই সাথে হাদিস নাম্বার কোন হাদিস থেকে নেওয়া হয়েছে এই সমস্ত বিষয়ে সম্পর্কে জানাবো। পাশাপাশি আপনি চাইলে আমাদের হাদিস নাম্বার জেনে যাচাই-বাছাই করে নিতে পারেন অবশ্যই এই পরামর্শ আমরা আপনাদের প্রদান করছি।

কুরবানীর ঈদের হাদিস

কুরবানীর ঈদ হঠাৎ কুরবানী সম্পর্কিত যে বিষয়গুলো রয়েছে এর মধ্যে কিছু হাদিস সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে অবশ্যই এই হাদিসগুলোর গুরুত্ব রয়েছে তাই আমরা অনেকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই হাদিসগুলোর ব্যাখ্যা প্রদান করার আগ্রহ দেখে থাকি তবে পূর্ণাঙ্গভাবে জানার পরবর্তী সময়ে অন্যের মাঝে তা প্রকাশ করা উচিত তাই আমরা কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সহি হাদিস রয়েছে সেগুলো আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করব আমরা ইসলামিক সংগ্রহ করেছি আপনাদের অনুরোধ জানাচ্ছি হাদিসগুলো সম্পর্কে অন্যের মাঝে উপস্থাপনের পূর্বে নিজেরা যাচাই করে নেবেন।

ইসলামে দুই ঈদ : ঈদুল ফিত্র ও ঈদুল আযহা হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- قَدِمَ رَسُولُ اللّهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ الْمَدِينَةَ وَلَهُمْ يَوْمَانِ يَلْعَبُونَ فِيهِمَا، فَقَالَ: مَا هَذَانِ الْيَوْمَانِ؟ قَالُوا: كُنّا نَلْعَبُ فِيهِمَا فِي الْجَاهِلِيّةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللّهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ: إِنّ اللّهَ قَدْ أَبْدَلَكُمْ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا: يَوْمَ الْأَضْحَى، وَيَوْمَ الْفِطْرِ. হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন তখন মদীনাবাসীর দুটি উৎসবের দিবস ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জিজ্ঞেস করলেন, এ দুটি দিবস কী? (কী হিসেবে তোমরা এ দু’দিন উৎসব পালন কর?) তারা বলল, জাহেলিয়াত তথা ইসলামপূর্ব যুগে আমরা এ দিনদুটিতে উৎসব পালন করতাম।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তোমাদেরকে এ দুটি দিনের পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন- ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিত্র। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১১৩৪; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ১৫৫৬; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১২০০৬ এই হাদীসের ব্যাখ্যায় মাওলানা মনযূর নোমানী রাহ. তাঁর বিখ্যাত কিতাব ‘মাআরিফুল হাদীস’-এ লেখেন- ‘বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের উৎসবসমূহ প্রকৃতপক্ষে তাদের আকীদা-বিশ্বাস, চিন্তা-চেতনা ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের মুখপত্র এবং তাদের জাতীয় চরিত্রের দর্পণ হয়ে থাকে।

ঈদুল আযহার খুতবা

মুসলিম ধর্ম অবলম্বনকারীদের জন্য বিশেষ একটি দিন হচ্ছে ঈদুল আযহা অর্থাৎ ঈদের দিন এই দিনটিতে ঈদগা মাঠে খুতবা প্রদান করার সুযোগ পেয়ে থাকেন অনেকেই এক্ষেত্রে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাদিসগুলো জানার আগ্রহ নিয়ে এসে থাকেন অনেকেই এমন ব্যক্তিদের প্রতি আমাদের সালাম রয়েছে আসসালামু আলাইকুম আপনারা অবশ্যই আমাদের আলোচনা থেকে ঈদুল আযহা সম্পর্কে জানতে পারবেন। নিচে খুতবা গুলো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে থাকছে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- أُمِرْتُ بِيَوْمِ الْأَضْحَى، جَعَلَهُ اللهُ عِيدًا لِهَذِهِ الْأُمّةِ. আমাকে ‘ইয়াওমুল আযহা’র আদেশ করা হয়েছে (অর্থাৎ, এ দিবসে কুরবানী করার আদেশ করা হয়েছে); এ দিবসকে আল্লাহ তাআলা এই উম্মতের জন্য ঈদ বানিয়েছেন। -মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৬৫৭৫; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ৫৯১৪; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৮৯; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ৪৩৬৫ ঈদুল আযহার দিন নবীজী নামাযের পরে খেতেন كَانَ النّبِيُّ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ لَا يَخْرُجُ يَوْمَ الفِطْرِ حَتّى يَطْعَمَ، وَلَا يَطْعَمُ يَوْمَ الأَضْحَى حَتّى يُصَلِّيَ. নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন কোনো কিছু না খেয়ে ঈদগাহে যেতেন না। আর ঈদুল আযহার দিন নামায না পড়ে কিছু খেতেন না। -জামে তিরমিযী, হাদীস ৫৪২ ঈদুল আযহার দিন নামাযের পরে খাওয়ার কারণ সম্ভবত এ হবে যে, এ দিন যেন সবার আগে কুরবানীর গোশতই মুখে উঠে, যা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এক ধরনের দাওয়াত ও আপ্যায়ন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: