Skip to content

নামাজ নিয়ে ইসলামিক উক্তি| কোরআনের উক্তি বা আয়াত

নামাজ নিয়ে ইসলামিক উক্তি
নামাজ নামাজ ফারসি শব্দ এর আরবি শব্দ হলো সালাত। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে নামাজ হলো দ্বিতীয় স্তম্ভ। ইসলামে নামাজ ফরজ ইবাদত।নামাযের ফরজ ওয়াক্ত হলো ৫টি।আর ৫ ওয়াক্ত নামাযে ১৭রাকাত ফরজ রয়েছে। নামায নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে আদায় করতে হবে।
নামাজ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয করা হয়েছে। নামাজ ব্যতীত কেউ প্রকৃত মুমিন বা ঈমানদার হতে পারবে না। নামাযের মাধ্যমে অন্তরে শান্তি আসে। নামায এমন একটি ইবাদত যা শুধু নিজের জন্য নিজেকে আদায় করতে হবে। নামায যেহেতু প্রত্যেক মুসলিম এর উপর ফরজ করা হয়েছে সেহেতু প্রত্যেক মুসলিমের উচিত নিদিষ্ট সময়ে সঠিকভাবে আদায় করা। নামাযের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর তায়ালার সন্তুষ্টি লাভ করে। নামাযের মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার সব পাপ মাফ করে দেন।নামায আদায় করলে আল্লাহ বান্দার উপর খুব খুশি হন।নামায সকল পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখে।নামায কে বেহেশতের চাবি বলা হয়। তাই আমাদের সবার উচিত উত্তম রুপে নিয়মিত সালাত আদায় করা।

নামাজ নিয়ে ইসলামিক উক্তি

নামায ফরজ ইবাদত। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরানে অসংখ্য বার নামাযের নির্দেশ দিয়েছেন।শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার উম্মতদের কে নিয়মিত সালাত আদায়ের তাগিদ দিয়েছেন। নামায নিয়ে বড় বড় মনিশিদের অনেক উক্তি রয়েছে। নিচে নামায নিয়ে বিভিন্ন উক্তি তুলে ধরা হলোঃ

১ঃ আর নামায কায়েম কর, যাকাত দান কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে, যারা অবনত হয় ।
— সূরা আল বাকারা, আয়াতঃ ৪৩

২ঃ ধৈর্যের সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে । অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন । কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব ।
— সূরা আল বাকারা, আয়াতঃ ৪৫

৩ঃ তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাতাক দাও । তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎ কর্ম প্রেরন করবে, তা আল্লাহ্‌র কাছে পাবে । তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তা প্রত্যক্ষ করেন ।
— সূরা আল বাকারা, আয়াতঃ ১১০

৪ঃ হে মুমিন গন ! তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর । নিশ্চিতই আল্লাহ্‌ ধৈর্যশীলদের সাথেই রয়েছেন ।
— সূরা আল বাকারা, আয়াতঃ ১৫৩

৫ঃ সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে । আর আল্লাহ্‌র সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও ।
— সূরা আল বাকারা, আয়াতঃ ২৩৮

৬ঃ হে বনী আদম ! তোমরা প্রত্যেক নামাযের সময় সাজসজ্জা পরিধান করে নাও, খাও ও পান কর এবং অপব্যয় করো না । তিনি অপব্যয়ীদের কে পছন্দ করেন না ।
— সূরা আল আরাফ, আয়াতঃ ৩১

৭ঃ আর যেসব লোক সুদৃঢ় ভাবে কিতাবকে আঁকড়ে থাকে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে নিশ্চয় আমি বিনষ্ট করবো না সৎ কর্মীদের সওয়াব ।
— সূরা আল আরাফ, আয়াতঃ ১৭০

৮ঃ আমিই আল্লাহ্‌ আমি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই । অতএব আমার এবাদত কর এবং আমার স্মরণার্থে নামায কায়েম কর ।
— সূরা তোয়া-হা, আয়াতঃ ১৪

৯ঃ নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রসূলদের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও ।
— সূরা আন নূর, আয়াতঃ ৫৬

১০ঃ সবাই তার অভিমুখী হও এবং ভয় কর, নামায কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না ।
— সূরা আর রুম, আয়াতঃ ৩১

১১ঃ হে বতসো, নামায কায়েম কর, সৎকাজে আদেশ দাও, মন্দকাজে নিষেধ কর এবং বিপদ আপদে সবর কর । নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ ।
— সূরা লোকমান, আয়াতঃ ১৭

১২ঃ যারা আল্লাহ্‌র কিতাব পাঠ করে, নামায কায়েম করে, এবং আমি যা দিয়েছি তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসা আশা কর, যাতে কখনও লোকসান হবে না ।
— সূরা ফাতির, আয়াতঃ ২৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: