টিপস

শাকসবজি খাওয়ার উপকারিতা, জেনে নিন কোন সবজিতে কি ভিটামিন রয়েছে।

শাকসবজি খাওয়ার উপকারিতা। আজকের পোস্টটিতে আমরা শাকসবজি বিষয়ক কিছু তথ্য দিয়ে আপনাদের সহযোগিতা করব। যে তথ্যগুলো আমরা স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করেছি। একজন মানুষ স্বাভাবিক সুস্থ থাকার জন্য শাকসবজির ভূমিকা অপরিসীম। এক্ষেত্রে সকলের শাকসবজি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমরা বিভিন্ন ডাক্তারের পরামর্শ থেকে জানতে পারি শাকসবজি খাওয়ার কথা।

অনেকেই রয়েছেন যারা অনলাইনে অনুসন্ধান করেন শাকসবজি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে। তাই আজকের পুষ্টিতে আমরা এই বিষয়টি উল্লেখ করে আলোচনা করব। এছাড়াও আপনি জানতে পারবেন শাকসবজিতে ভিটামিন এর পরিমাণ সম্পর্কে এবং কোন শাক সবজিতে কি ভিটামিন এর উপস্থিতি রয়েছে তাই এখান থেকে জানতে পারবেন।

শাকসবজি খাওয়ার উপকারিতা

শাকসবজি খাওয়ার উপকারিতা অনেক। একজন মানুষ সুস্থ স্বাভাবিক থাকার জন্য নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এছাড়াও সবুজ শাকসবজিতে ভিটামিন সি এর পরিমাণ অনেক। শাকসবজি নিয়মিত খাওয়ার ফলে আপনারা অনেক রোগ থেকে নিস্তার পাবেন।

০১। টমেটোঃ

• ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো ও উজ্জ্বল রাখে।
• ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
• দৃষ্টি শক্তির ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

০২। লাল শাকঃ

• দেহের রক্তশূন্যতা রোধ ও পরিষ্কার করে।
• দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে।
• চুলের গোঁড়া মজবুত করে।

০৩। পালং শাকঃ

• বাতের ব্যথা, অস্টিওপোরোসিস, মাইগ্রেশন দূর করে।
• স্মৃতিশক্তি এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
• দেহের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।

০৪। কলমি শাকঃ

• হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।
• কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করতে ভূমিকা রাখে।
• শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।

০৫। শসাঃ

• পানিশূন্যতা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
• ত্বক সুস্থ, কোমল ও উজ্জ্বল করে।
• হৃদযন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করতে সাহায্য করে।

০৬। শিমঃ

• চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
• কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
• নিয়মিত শিম খেলে তা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

০৭। ফুলকপিঃ

• ক্যান্সার এবং টিউমার জনিত সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে।
• হৃদ-স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।
• শরীরকে বিষমুক্ত হতে সহায়তা করে।

০৮। বাঁধাকপিঃ

• হাড়ের ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে।
• বাঁধাকপি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
• নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না।

০৯। ব্রকলিঃ

• ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের টিস্যু মেরামত করে।
• মানসিক চাপ কমাতে ব্রকলি অবদান রাখে।
• চিনির প্রভাব রোধ করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কম রাখে।

১০। ঢেঁড়সঃ

• রক্ত স্বল্পতা দূর করতে সহায়তা করে।
• রুচি বাড়ায়, মন পরিষ্কার করে ও শরীর ঠাণ্ডা রাখে।
• শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

১১। করোলাঃ

• হাই ব্লাড প্রেসার কমাতে অব্যর্থ।
• কৃমির সমস্যা দূর করে।
• দৃষ্টি শক্তির বিকাশ ঘটায়।

১২। লাউঃ

• দেহে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে।
• ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে।
• দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখে।

১৩। বেগুনঃ

• ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
• হার্ট অ্যাটাকের সম্ভবনা কমায়।
• মস্তিষ্কের নার্ভ সচল রাখে।

১৪। কচুর লতিঃ

• অ্যানিমিয়ার হাত থেকে বাঁচায়।
• ত্বক এবং চুল ভালো রাখে।
• হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে।

১৫। বিটঃ

• যকৃতের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
• হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।
• দেহের রক্ত স্বল্পতা দূর করে।

১৬। শালগমঃ

• ত্বককে মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
• শারীরিক দুর্বলতা অনেকাংশে কাটিয়ে তুলে।
• শরীরের রোগ প্রতিরধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

১৭। সজনে পাতাঃ

• সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি আছে লেবু থেকে।
• চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম আছে দুধের থেকে।
• কলার থেকে তিন গুণ বেশি পটাসিয়াম রয়েছে।

১৮। গাজরঃ

• শরীরের শক্তি ও ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
• অশ্ব এবং পিত্ত রোগ অসাধারণ কাজ করে।
• রক্ত পরিষ্কার করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১৯। পটলঃ

• হজমে সহায়তা করে।
• হার্টের রোগের জন্য উপকারী।
• রক্ত বিকার এবং শ্লেষ্মা সারিয়ে তোলে।

২০। পেঁপেঃ

• ফ্যাটি লিভারের মোক্ষম দাওয়াই।
• পেটের অসুখ সারিয়ে তোলে।
• হার্ট শক্তিশালী করতে অবদান রাখে।

Back to top button
Close