অ্যাসাইনমেন্ট

৬ষ্ঠ শ্রেণির ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ : ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

৬ষ্ঠ শ্রেণির ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ : ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

২য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ২য় সপ্তাহের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসইনমেন্টের সমাধান করব। যদি আপনারা ৬ষ্ঠ  শ্রেণির ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসইনমেন্টের এই উত্তর গুলাে অরুসরণ করেন তাহলে ১০০% মার্কস পাবেন। আরাে সকল সাপ্তাহর অ্যাসাইনমেন্টে পেতে আমাদের থাকবেন সাথে আশা করি।

 

ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি এসাইনমেন্ট সমাধান – ২য় সপ্তাহ :

 

প্রশ্ন:

৬ষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১ : ২য় সপ্তাহের উত্তর – ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

Class 6 English Assignment (2nd week) Answer :

 

My First Day at School 

My first day at school is one of the most memorable days of my life. The day was Sunday 1 January 2012. I went to a nearby primary school with my father. I had many unknown fears. After reaching school, I saw some students were playing in the field.  There we met some teachers. A teacher took us to my classroom., I understood that I was in a new and unknown world. The headmaster delivered a short speech welcoming us at the beginning of the year. He told us about many rules and important things. After some time the first bell rang.  She was our English teacher. She told us an interesting story. I enjoyed the class. Really the teachers were very friendly to us. All my fear disappeared after the class. . My father was waiting for me at the school gate. We came back home. I will never forget the sweet memories of the first day at school.

৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসাইনমেন্ট সমাধান – ২য় সপ্তাহ 

 

প্রশ্ন:৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসাইনমেন্ট সমাধান – ২য় সপ্তাহ :

৬ষ্ঠ শ্রেণির ২য় সপ্তাহের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসাইনমেন্ট উত্তর :
১৯৫২ ভাষা আন্দোলন : ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষাকে বাংলা করার জন্য ছাত্ররা একত্রিত হয়ে মিছিল বের করে। সেই মিছিলে পাক বাহিনির গুলিতে রফিক, সালাম, বরকত, ভাববারসহ আরাে অনেকে শহীদ হয়। ভাষা আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধু জেলে। থাকলেও তিনি চিরকূটের মাধ্যমে আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিয়েছে। ১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের কর্মী সম্মেলনে গণতান্ত্রিক যুবলীগ গঠিত হয়। এর আগে ১৯৪৮ সালে ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ভাষা বিষয়ক কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়। সম্মেলনের কমিটিতে গৃহীত প্রস্তাবগুলাে পাঠ করলেন সেদিনের। ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট সাধারণ নির্বাচন১৯৫৪ সালে ১০ই মার্চ পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ববঙ্গে যুক্তফ্রন্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। কিন্তু পাকিস্তান শাষকগােষ্ঠী বাঙালির এই আধিপত্য মেনে নিতে পারেনি। মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে ৩০শে মে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে মন্ত্রিসভা ভেঙ্গে দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। | এটা ছিল বাঙ্গালিদের উপর জুলুমের এক বহিঃপ্রকাশ। এই নির্বাচনের পর বঙ্গবন্ধুকে ৭ মাস কারাবন্ধি করে রাখা হযেছিল।নিরাপত্তা ব্যবস্থার ন্যূনতম উন্নতি করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি। বাঙালিদের প্রতি জাতিগত এই বৈষম্যর বাস্তব চিত্র তুলে ধরে ১৯৬৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারী লাহারে আহত ‘সর্বদলীয় জাতীয় সংহতি সম্মেলন’ শেখ মুজিবর রহমান ৬ দফা দাবী উপস্থাপন করেন। ভাষণে তিনি বলেন, ‘গত দুই যুগ ধরে পূর্ব বাংলাকে যেভাবে শােষণ করা হয়েছে তার প্রতিকারকল্পে এবং পূর্ব বাংলার ভৌগােলিক দূরত্বের কথা বিবেচনা করে আমি ৬ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করছি।’ পরবর্তীতে এই ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ হিসাবে বিবেচিত হয়।

৬৬ এর ৬ দফা আন্দোলন : ১৯৬৫ সালে পাকভারত যুদ্ধর সময়কাল বাস্তব ক্ষেত্রে প্রমাণিত হয় পূর্ব বাংলা সভাবে অরক্ষিত ছিল। স্পষ্ট হয়ে ওঠে পাকিস্তানের সামরিক শাসকগণ। সামাজিক, সাংস্কৃতিক নিপীড়ন ও এখলিভিক শােষাণর ধারাবাহিকতায় বাংলার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ন্যূনতম উন্নতি করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি। বাঙালিদের প্রতি জাতিগত এই বৈষম্যর বাস্তব চিত্র তুলে ধরে ১৯৬৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারী লাহারে আহত ‘সর্বদলীয় জাতীয় সংহতি সম্মেলন’ শেখ মুজিবর রহমান ৬ দফা দাবী উপস্থাপন করেন। ভাষণে তিনি বলেন, ‘গত দুই যুগ ধরে পূর্ব বাংলাকে যেভাবে শােষণ করা হয়েছে তার প্রতিকারকল্পে এবং পূর্ব বাংলার ভৌগােলিক দূরত্বের কথা বিবেচনা করে আমি ৬ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করছি।’ পরবর্তীতে এই ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ হিসাবে বিবেচিত হয়।

৬৯-এর গণ–আন্দোলনপূর্ববাংলার স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলাের সমন্বয়ে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে ওঠে। এই ধারাবাহিকতায় স্বায়ত্বশাসনের আন্দোলন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পথকে উন্মুক্ত করে। -সহিংস আন্দোলন সহিংসতার দিকে ধাবিত হতে থাকে। এই সময় রাজনৈতিক দলের ৬ দফা দাবি গণদাবিতে পরিণত হয়।

৭০-এর সাধারণ নির্বাচন : ২৫শে মার্চ ৬৯ সারা দেশে সামরিক শাসন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তর হলেও সামরিক সরকার গণ-দাবিকে উপেক্ষা করার মত শক্তি সঞ্চয় করতে পারেনি। তাই প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল আগা মােহাম্মদ ইয়াহিয়া খান সারা দেশে এক ব্যক্তি এক ভােটের নীতিতে সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হন। ৭ই ডিসেম্বর ‘৭০ থেকে ১৯শে ডিসেম্বর’ ৭০ এর মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে। তফসিল ঘােষণা করা হয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে দেশব্যাপী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ৬ দফা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের পক্ষে রায় প্রদান করে।এ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ জাতীয় পরিষদে ৩১০ আসনের মধ্যে ১৬৭ আসন এলাভ করনিরস্তুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিষ কেন্দ্রীয় সরকার গঠন আন্তঃনাক্ত করে। নির্বাচন জয়লাভের পর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল আসা মােহাম্মদ ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সরকার গঠন মত দিতে অস্বীকার করেন।

৭১ এর অসহযোগ আন্দোলনএকটি রাজনৈতিক দল জনগণের ভােটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের ম্যান্ডেট পেয়েছে। তারা সরকার গঠন করবে, এটাই ছিল বাস্তবতা। কিন্তু সামরিক শাসকগণ সরকার গঠন বা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে এক আলােচনা শুরু করে। কিসের জন্য আলােচনা, এটা বুঝতে বাঙালি। নেতৃবৃন্দের খুব একটা সময় লাগেনি। জাতীয় সংসদের নির্ধারিত অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ১লা মার্চ ১৯৭১ দেশব্যাপী অসহযােগের আহবান জানান। সর্বস্তরের জনগণ একবাক্যে বঙ্গবন্ধুর এই আহবানে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের সমস্ত প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে অচল করে তােলে। তারপর। ৭ই মার্চ শেখবুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘােষনা দেন এবং সংগ্রামের ডাক দেন। বসব মুজিবর রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সুহণ করা হয়।

 

এটা হচ্ছে আপনাদের ষষ্ঠ শ্রেণীর ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর।এটা দেখে দেখে সুন্দর করে খাতায় লেখেবেন। তাহলে আপনি ভাল একটা মার্কস্ পাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে

Back to top button
Close