Skip to content

কুরবানী নিয়ে কিছু কথা

কুরবানী নিয়ে কিছু কথা

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক ভাই-বোন বন্ধুগণ আপনাদের সবাইকে আমাদের ওয়েব সাইটের পক্ষ থেকে পবিত্র কুরবানী ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমাদের আজকের এই পোস্ট। আমাদের আজকের এই পোস্ট টি হচ্ছে কুরবানী নিয়ে কিছু কথা সম্পর্কিত একটি পোস্ট। আমাদের আজকের এই পোস্ট থেকে আপনারা কুরবানী সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন। আমরা আজকে আমাদের এই পোষ্টটি শুধুমাত্র আপনাদের কে সঠিকভাবে কুরবানী বিষয়ে জানার জন্য কুরবানী নিয়ে কিছু কথা সম্পর্কিত পোস্ট টি শেয়ার করতে যাচ্ছি। আশা করি আমাদের আজকের এই কুরবানী নিয়ে কিছু কথা সম্পর্কিত পোস্ট টি আপনাদের কে সঠিকভাবে কুরবানী করতে এবং কুরবানীর তাকওয়া অর্জন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কুরবানী আরবি শব্দ এর বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে পশু জবেহ করা। কুরবানী বলতে নির্দিষ্ট দিনে ব্যক্তি মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পশু জবেহ করাকে বোঝায়। কুরবানীর বিধান আমাদের মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম আঃ এর সময় থেকে চালু হয়েছে। তিনি মহান আল্লাহ তাআলার নির্দেশে তার পুত্র ইসমাইলকে কুরবানী করার উদ্দেশ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য কুরবানী করার জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তাআলা ইব্রাহিম আঃ এর  উপর সন্তুষ্ট হয়ে আল্লাহ তায়ালা ইসমাইল আঃ এর জায়গায় পশু দিয়েছিলেন। সেই থেকে ইসলামে কুরবানীর বিধান টি চালু হয়েছে। যা আজ ও সারা বিশ্বের সকল মুসলিম পালন করে আসছে। মুসলিমরা তাদের বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পশু কুরবানী করে থাকে।

কুরবানী নিয়ে কিছু কথা

কুরবানীর  ঈদ এলেই অনেকেই আছেন যারা কুরবানী নিয়ে কিছু কথা সম্পর্কে অনলাইন বা ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে যান। তাদের কথা ভেবে আমাদের আজকের এই পোস্টটি নিয়ে আমরা হাজির হয়েছি। আমরা আজকে আমাদের এই পোস্টটিতে আপনাদের মাঝে তুলে ধরবো কুরবানী নিয়ে কিছু কথা। আমাদের আজকের এই পোস্ট থেকে আপনারা কুরবানী সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন। আজকে আমাদের এই পোস্টটিতে আপনাদের মাঝে কুরবানী নিয়ে হাদিস ও মহান আল্লাহ তাআলার বানী গুলো তুলে ধরবো। আমাদের আজকের এই কুরবানী নিয়ে কিছু কথা গুলো আপনি আপনার বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজন ও পরিবার-পরিজনদের মাঝে শেয়ার করে দিতে পারবেন। এতে করে তারাও কুরবানী সম্পর্কে সুস্পষ্ট ভাবে জানতে এবং বুঝতে পারবে। নিচে কুরবানী নিয়ে কিছু কথা গুলো তুলে ধরা হলো:

অভ্যাসকে জয় করাই পরম বিজয় ।
— হযরত আলী (রাঃ)

যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না তা অন্যকে উপদেশ দিও না ।
— হযরত আলী (রাঃ)

উহাই শ্রেষ্ঠ দান যাহা হৃদয় হইতে উৎসারিত হয় এবং রসনা হতে ক্ষরিত হয়ে ব্যথিত এর ব্যাথা দূর করে ।
— আল হাদিস

সত্য লোকের নিকট অপ্রিয় হলেও তা প্রচার করো ।
— আল হাদিস

আল্লাহ তা’আলার ভয়ে তুমি যা কিছু ছেড়ে দিবে, আল্লাহ তোমাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু অবশ্যই দান করবেন ।
— আল হাদিস

সৎ লোক সবার বিপদে পড়লে আবার উঠে কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নিপাত যায় ।
— হযরত সুলাইমান (আঃ)

সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ ।
— হযরত আলী (রাঃ)

বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র ।
— আল হাদিস

ঝগড়া চরমে পৌঁছার আগেই ক্ষান্ত হও ।
— হযরত সুলাইমান (আ:)

আল্লাহর ভয় মানুষকে সকল ভয় হতে মুক্তি দেয় ।
— ইবনে সিনা

অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না, সকলকেই সে নিজের মত ভাবে ।
— হযরত আলী (রাঃ)

পুণ্য অর্জন অপেক্ষা পাপ বর্জন করা শ্রেষ্ঠতর ।
— হযরত আলী (রাঃ)

সে ব্যক্তি মুমিন নয়, যে নিজে তৃপ্তি সহকারে আহার করে অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে ।
— হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)

আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তারপর সেই মানুষকে ভয় পাই যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না ।
— শেখ সাদী (রঃ)

নিচু লোকের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য ।
— হযরত আলী (রাঃ)

যে নিজের মর্যাদা বোঝে না অন্যেও তার মর্যাদা দেয় না ।
— হযরত আলী (রাঃ)

পাঁচটি ঘটনার পূর্বে পাঁচটি জিনিসকে মূল্যবান মনে করবেঃ তোমার বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে , দরিদ্রতার পূর্বে স্বচ্ছতাকে , কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে ।
— আল-হাদিস

পরিশেষে মহান আল্লাহ তাআলার কাছে আপনাদের সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে আমাদের আজকের এই লেখা টি এখানেই শেষ করছি। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: