Skip to content

বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার নিয়ম। যেকোনো দেশ থেকে ভোটার হওয়ার উপায়

বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার নিয়ম

বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার নিয়ম। যেকোনো দেশ থেকে ভোটার হওয়ার উপায়: অনেকেই রয়েছেন যারা ভোটার হওয়ার পূর্বে বিদেশে চলে গেছেন। এবং দীর্ঘদিন বিদেশে রয়েছেন এমন অবস্থায় কিভাবে দেশে ভোটার হবেন। দেশের পরিবারের সকলের থাকলেও তিনি বাইরের দেশে অবস্থান করছেন এক্ষেত্রে কিভাবে ভোটার হওয়া যাবে ভোটার হওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আজকের আলোচনা। যেহেতু ভোটার হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট বয়সের পূর্বে তারা বাইরের দেশে গিয়েছেন এবং স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় পরিচয় পত্র পাননি এমন অবস্থায় দেশের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। পাশাপাশি জাতীয় পরিচয় পত্র অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ডের যে সুযোগ-সুবিধা সেগুলো থেকে বঞ্চিত রয়েছেন অবশ্যই বিদেশে থাকলেও পরবর্তী সময়ে জাতীয় পরিচয় পত্র অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে অনেকেই এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত হয়ে থাকেন তবে আমরা হয়তোবা অনেকেই জানিনা বিদেশ থেকেও খুব সহজেই ভোটার হওয়ার উপায় রয়েছে এই বিষয়টি আমাদের কাছে অজানা তাই আজকের আলোচনার মাধ্যমে আমরা আপনাদের এ বিষয়ে সম্পর্কে জানাবো।

বর্তমান সময়ে আমরা অনেকেই জানিনা বিদেশ থেকে কিভাবে ভোটার হওয়া যায় এই বিষয়টি। তাই আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আপনাদের পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানাবো যার মাধ্যমে আপনি বিদেশ থেকে ভোটার হতে পারবেন। হঠাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। আমরা আপনাদের সহযোগিতার জন্য জানিয়ে রাখি ঈদের পূর্বে এ বিষয়ে কোন ধরনের সুযোগ ছিল না তবে বর্তমান সময়ে এটি সম্ভব আপনি চাইলে বিদেশ থেকেও ভোটার হতে পারবেন। আর কিভাবে কোন নিয়মে আপনি ভোটার হতে পারবেন সেই পুরো প্রক্রিয়াটি জানতে হলে আমাদের সাথে থাকুন আশা করছি আমাদের সাথে থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয় সম্পর্কে জানার মাধ্যমে আপনি উপকৃত হবেন।

বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র লাগে

একজন ভোটার হওয়ার জন্য অবশ্যই বয়সের সীমা রয়েছে নির্দিষ্ট বয়স এর পরবর্তী সময়েই আমরা একজন ভোটার হতে পারি। তবে এই বয়সের পূর্বে অনেকেই বিদেশে গিয়েছি এক্ষেত্রে ভোটার হওয়ার সুযোগ হয়নি। এক্ষেত্রে এমন ব্যক্তিদের সহযোগিতার লক্ষ্যে আজকে আমরা বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে এই আলোচনাটি নিয়ে এসেছি যার মাধ্যমে কিছু নিয়ম অনুসারে আপনি বাইরের দেশ থেকেও ভোটার হতে পারেন এর জন্য আপনার কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে যেগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন এখানে। অর্থাৎ বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার জন্য যে সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ দরকার হবে সেগুলো নিচে তুলে ধরা হচ্ছে।

বিদেশ থেকে অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন

আজকের আলোচনাটি সম্পূর্ণরূপে প্রবাসী ভাই ও বোনদের সহযোগিতার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। আপনি যদি প্রবাস জীবন কাটিয়ে থাকেন বিশ্বের যেকোনো দেশে তাহলে হতে পারে এই আলোচনাটি আপনার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ভাই ও বোন রয়েছেন যারা দেশে ভোটার হওয়ার পূর্বে বাইরের দেশে গিয়েছেন এমন অবস্থায় প্রাপ্তবয়স্ক হলেও নিজেকে ভোটার হিসেবে পরিচয় দিতে পারছেন না এমন ব্যক্তিদের সহযোগিতার লক্ষ্যে অনলাইনের মাধ্যমে বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়াটি চালু করা হয়েছে যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অনলাইন আবেদন করে ভোটার হতে পারে। আর আজকের আলোচনার মাধ্যমে আমরা আপনাদেরকে বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো । এখান থেকে জেনে নিতে পারবেন বিদেশ থেকে অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করার নিয়ম। এতে করে আপনি খুব সহজেই যেকোনো দেশ থেকে বাসায় বসেই অনলাইন এর মাধ্যমে মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিজে তথ্য প্রদান করা হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে পাবেন

আমরা সকলেই জানি ইতিপূর্বে দেশের বাইরে থেকে কোনভাবেই ভোটার হওয়ার সুযোগ ছিল না তবে বর্তমান সরকার আমাদের সহযোগিতার লক্ষ্যে এ বিষয়টির প্রতি লক্ষ্য রেখে অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে ভোটার হিসেবে পরিচিতি প্রদান করার সুযোগ দিয়েছে। এখন আমরা প্রবাস জীবন কাঁদালেও নির্দিষ্ট সময়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে অনলাইন আবেদন করতে পারি অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া উপরোক্ত আলোচনায় তুলে ধরা হচ্ছে এখন কথা হচ্ছে আমরা কিভাবে আমাদের ভোটার আইডি কার্ডটি পাব প্রবাসে থেকেও এ বিষয়ে সম্পর্কে জানতে আগ্রহ নিয়ে যারা আমাদের আলোচনায় রয়েছেন এবং অনলাইন আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে প্রবাস জীবনে ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে পাবেন এই বিষয়টি তুলে ধরেছি নিচে।

ভোটার হওয়ার বয়স

আবেদন প্রক্রিয়ার সহ সমস্ত বিষয়ে সম্পর্কে জানলেও আমরা অনেকেই জানিনা একজন ভোটার হওয়ার জন্য কত বছর বয়স লেগে থাকে। বর্তমান সময়ে ১৮ বছরের নিচে ভোটার হওয়ার আবেদন করা সম্ভব হলেও ভোটার আইডি কার্ড হাতে পাওয়া জন্য 18 বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সুতরাং, আমরা বলতে পারি ভোটার হওয়ার জন্য ১৮ বছর বয়স লেগে থাকে আশা করছি আঠারো বছরের পরবর্তী সময়ে আপনি দেশ ও বিদেশ থেকে ভোটার হওয়ার আবেদন করবেন। এক্ষেত্রে খুব সহজে আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি পেয়ে যাবেন ।

ভোটার আইডি কার্ড পেতে কতদিন সময় লাগে

উপরোক্ত আলোচনায় আমরা ভোটার আইডি কার্ড সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জেনেছি। দেশ ও বিদেশ থেকে অনেকেই ভোটার আইডির জন্য আবেদন করছেন এমন ব্যক্তিগণের মনে প্রশ্ন রয়েছে কতদিন পর ভোটার আইডি কার্ড পাব অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ড পেতে কতদিন সময় লাগে। এটি সাধারন একটি প্রশ্ন তবে যারা অনলাইনে আবেদন করে থাকে তাদের ক্ষেত্রে এই বিষয়ে সম্পর্কে জানার আগ্রহ অনেক বেশি থাকে। আবার কিছু সংখ্যক ব্যক্তি রয়েছে যারা গুরুত্বপূর্ণ কোন ক্ষেত্রে এটির ব্যবহার করবেন এক্ষেত্রে আগ্রহের সাথে ভোটার আইডি কার্ড পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। এক্ষেত্রে ভোটার আইডি কার্ড বিতরণের বিষয়টি লক্ষ্য করা যায় সময় সাপেক্ষ বিষয় তবে অনলাইনের মাধ্যমে আপনি দ্রুত এই ভোটার আইডি কার্ডটি সংগ্রহ করতে পারেন। ভোটার আইডি কার্ড হাতে পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় বলা যাচ্ছে না তবে অনলাইনে চেক করতে পারেন যেকোনো মুহূর্তে অনলাইন থেকে আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি সংগ্রহ করতে পারেন খুব সহজেই পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সকল ক্ষেত্রে এর আইডি কার্ডটি ব্যবহারযোগ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: